SUN Aid is a non-government organization, has been working for disadvantaged and hard-core poor people especially women and children development also emphasis on climate change affected activities. SUN Aid has been contributing its humanitarian services for Barisal districts in Bangladesh. SUN Aid has been operating it all activities on ICT, Digital Farming, Education, Health, Forestation, IGA, Water & Sanitation, Adaptation to climate change affects, Organizational capacity building, Gender equity, Training, Sustainable development for rights-based development and ensure of good governance in area basis for the socioeconomic development of the target community.

What we do

Education of Hazard Child Labor SUN Aid
Eradication of Hazard Child Labour in Bangladesh (EHCLB)
SUN Aid ICT
ICT EMPOWERMENT of YOUTH
LOBBING & ADVOCASY TRAINING
SKILL & RESOURCE DEVELOPMENT TRAINING
Disaster Workshop SUN Aid
PREPARDNESS of DISASTER WORKSHOP
FOOD SECURITY & NUTRITION AWARENESS

Letters from Executive Director

Reward

2 days ago

SUN AID
প্লাস্টিক বর্জ্যে খালের সর্বনাশখাল প্রাকৃতিক সম্পদ। এ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। মুক্ত রাখে জলাবদ্ধতা থেকে। খালের সঙ্গে নাগরিক জীবনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। নাগরিক জীবনের মানোন্নয়নে খালের ভূমিকা অপরিহার্য। তবে এখন প্লাষ্টিক পণ্যেই সর্বনাশ হচ্ছে খালগুলোর। এর চরম খেসারত নাগরিকদের দিতে হচ্ছে। প্রতিনিয়তই প্রতিবছরই মুখোমুখি হতে হয় জলাবদ্ধতার। তৈরি করে নানা সংকট-সমস্যা। নাগরিকদের স্বার্থেই খালসহ প্রাকৃতিক অনুষঙ্গসমুহ বাঁচিয়ে রাখতে হবে। খাল বাঁচিয়ে রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা, দায়বদ্ধতা, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বকীয়তা রক্ষা করার কোন বিকল্প নেই। প্লাস্টিক বর্জ্য নদীর জলজ বাস্তুতন্ত্রের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলছে । নদীর তলদেশে জমছে পলিথিন -প্লাস্টিক পণ্যের স্তর । প্লাস্টিকের ক্ষতিকর উপাদান পানিতে মিশে মাটি ও পানি দুষণ করছে। খাল নর্দমা থেকে প্লাস্টিকের ছোট টুকরা কৃষিজমিতে গিয়ে মাটির উর্বরতা কমছে, মাটির পানি ধারনক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও উৎপাদনশীলতায় ঘাটতি তৈরি হয় । একই পণ্য যাতে বহুবার ব্যবহার করা যায়, সেভাবে প্রস্তুত এবং ব্যবহারের পর অন্য পণ্যে পরিণত করা (রিসাইকেল) – এগুলো মেনে চলতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই। সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন#সানএইড #এনজিও #প্লাস্টিকবর্জ্যেখালেরসর্বনাশ #sunaidbd #sunaid #NGO ... See MoreSee Less
View on Facebook

7 days ago

SUN AID
যা কিছু পুরনো, তা হোক ইতিহাস নতুন বছরে নতুন হোক আশ্বাস। সুখ,শান্তি ও সফলতায় ভরে উঠুক জীবনের প্রতিটি অধ্যায়।সান এইড এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ‘‘শুভ নববর্ষ ১৪৩৩’’#সানএইড #এনজিও #শুভনববর্ষ #sunaidbd #sunaid #ngo ... See MoreSee Less
View on Facebook

1 week ago

SUN AID
যা কিছু পুরনো, তা হোক ইতিহাস নতুন বছরে নতুন হোক আশ্বাস। সুখ,শান্তি ও সফলতায় ভরে উঠুক জীবনের প্রতিটি অধ্যায়।সান এইড এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ‘‘শুভ নববর্ষ ১৪৩৩’’#সানএইড #এনজিও #শুভনববর্ষ #sunaidbd #sunaid #ngo ... See MoreSee Less
View on Facebook

1 week ago

SUN AID
খাদ্য উৎপাদনের জন্যই চাই পরিবেশ সুরক্ষাসারা বিশ্ব আজ জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। এর প্রভাব সবচেয়ে গভীরভাবে অনুভুত হচ্ছে সমুদ্রঘেঁষা দেশগুলোতে। বাংলাদেশ তার অন্যতম উদাহরণ। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় কিংবা বাতাসের গতিপ্রকৃতি তার দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কৃষকের মধ্যে গড়ে উঠেছে পরিবেশ ও আবহাওয়া সম্পর্কে এক ধরনের নিজস্ব জ্ঞান ও অনুভব। আকাশের রং দেখলেই সে আন্দাজ করতে পারে কখন বৃষ্টি নামবে । বাতাসের আচরন দেখেই সে বুঝে নিতে পারে কখন বৃষ্টি নামবে। কৃষকদের কাছে প্রশ্ন করলে, রোদ বৃষ্টির হিসাব কি ঠিক আছে ? চারা কি সময়মতো গজায়? কৃষক জানান না, রোদবৃষ্টির চিরকালীন হিসাব তা আগের মতো নেই। বীজ থেকে চারাও সেই আগের নিয়মে গজাচ্ছে না। হিসাবগুলো সুক্ষ্ণ হলেও প্রভাবটা অনেক বড়। জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উন্নত বিশ্ব প্রস্তুতি নিচ্ছে। সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন#সানএইড #এনজিও #খাদ্যউৎপাদনেরজন্যপরিবেশসুরক্ষা #sunaidbd #sunaid #NGO ... See MoreSee Less
View on Facebook

2 weeks ago

SUN AID
উচ্চ ফলনশীল চিকন ধান উদ্ভাবনচারটি ধানের জাতসহ মোট উদ্ভাবিত ফসলের জাতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৫টি, যা বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা অর্জনের ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশে সাধারণত আউশ ধানের ফলন আমন ও বোরো মৌসুমের তুলনায় কম হয়ে থাকে। এ জাতটি দ্রুত পরিপক্ব হওয়ায় কৃষক অল্প সময়েই জমি খালি করতে পারেন এবং সহজেই একই জমিতে বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ পান। ফলে এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষকের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে । একই সঙ্গে দেশের প্রায় সব অঞ্চলে আউশ মৌসুমে এ জাতটি চাষযোগ্য এবং তুলনামূলক কম পানির প্রয়োজন হওয়ায় ধাননির্ভর কৃষিব্যবস্থার জন্য এর গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপুর্ণ। দেশে চিকন চালের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে দিন দিন। সাধারণত বীজ বপনের তিন মাস থেকে তিন মাস ১০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব । সাধারণত এ জাতটি কৃষকের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে এবং কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন#সানএইড #এনজিও #উচ্চফলনশীলচিকনধান #sunaidbd #sunaid #NGO ... See MoreSee Less
View on Facebook

Gallery